বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল সম্পর্কে

"উচ্চ শিক্ষায় উৎকর্ষের মাধ্যমে টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন"

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন ২০১৭ এর অধীনে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়। আইনটি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে। ২০১৯ সালের জুন মাসের মধ্যে কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও পূর্ণকালীন সদস্যগণের নিয়োগ সম্পন্ন হয়।

নিয়ত পরিবর্তনশীল এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিশ্ব-অর্থনীতিতে যে কোন দেশের টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অনেকাংশে জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতার উপর নির্ভর করে। ইহা সত্য যে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতার ভিত্তি রচনা করে। বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বহুমুখী সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্ট সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি টেকসই ও মজবুত করার জন্য উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন অপরিহার্য। ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা কার্যক্রমসমূহ অ্যাক্রেডিট করতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এ উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আন্তর্জাতিক কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স নেটওয়ার্কের সাথে সহযোগিতা (Collaborations) ও সংগতি রেখে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা কার্যক্রমের মানদন্ড নির্ধারণ করবে। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।

সেবা সমূহ

সব দেখুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন

চেয়ারম্যান

প্রফেসর ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ

বিস্তারিত...

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী কর্নার

সেবা সহজিকরণ

বাংলাদেশ ই-ডিরেক্টরি

জাতীয় সঙ্গীত

বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম