কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ এ ০২:২২ PM

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের সাথে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়।

কন্টেন্ট: নোটিশ প্রকাশের তারিখ: ১১-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৩-০৮-২০৩০

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি)-এর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আখতার হোসেন খান-এর সভাপতিত্বে অদ্য ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল কার্যালয়ে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির একটি প্রতিনিধিদলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্য জনাব মোঃ এমদাদুল হক, প্রফেসর ড. আহমেদ আব্দুল্লাহ জামাল, প্রফেসর ড. মোঃ শাহ এমরান ও প্রফেসর ড. মো: ওয়াকিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদলে ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক), ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শামস রহমান এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক।

সভায় বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণ, অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, BNQF বাস্তবায়ন এবং উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও গ্রহণযোগ্য করতে অ্যাক্রেডিটেশনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন অভিমত প্রকাশ করেন যে “বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ের তুলনায় ডিগ্রি ও একাডেমিক প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশনে অধিক গুরুত্বারোপ করা সমীচীন।” এ সময় BNQF -এর বাস্তবায়ন, ক্রেডিট কাঠামো, শিক্ষণ পদ্ধতি ও একাডেমিক মানদণ্ডের বিষয়ে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা হয়।

কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও পূর্ণকালীন সদস্যবৃন্দ অ্যাক্রেডিটেশনের গুরুত্ব, বাস্তবায়ন কৌশল, গৃহীত কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন। এ সময় প্রতিনিধিদলের বিভিন্ন জিজ্ঞাসা ও মতামতের বিষয়ে চেয়ারম্যান ও পূর্ণকালীন সদস্যবৃন্দ প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় একটি টেকসই Quality Culture গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ ও কর্মোপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামকে সময়োপযোগী করার পাশাপাশি শিল্পখাত, ব্যবসা ও কর্পোরেট সেক্টরের সঙ্গে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কার্যকর সংযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (UGC) মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং কর্মবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কাউন্সিল, গবেষণা ও প্রকাশনা, বিএসি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন